শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ • ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ • দুপুর ৩:৩৯
২৮ বর্ষ

সম্পাদক ও প্রকাশক
ABC XYZ

KolkataSaradin ২৪ সত্যের পথে • সবসময়
রাজনীতি

TMC Supreme Court: ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের পদ খারিজের দাবিতে ফের সুপ্রিম কোর্টে শোভনদেব, স্পিকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের চর্চায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের পদ খারিজের দাবি। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ১০ জন বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

TMC Supreme Court: ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের পদ খারিজের দাবিতে ফের সুপ্রিম কোর্টে শোভনদেব, স্পিকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন
ছবি: বাংলা কণ্ঠ ২৪ • কলকাতা

৮ জুলাই ২০২৬ থেকে ৮ অক্টোবর ২০২৬। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল এ শিবির ছেড়ে তৃণমূল বি শিবির গঠন করা ১০ বিধায়কের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন জানানো সত্ত্বেও কোন সিদ্ধান্ত জানাননি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র কুমার বোস। তাই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ 2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বিজয়ী ১০ বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজের দাবি জানিয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মমতা তৃণমূলের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। রাজ্য বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর বিরুদ্ধেও সাংবিধানিক রীতি লঙ্ঘন করার অভিযোগে মামলা করেছেন তিনি। এই মামলায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা এবং ফিরহাদ হাকিম-সহ ১০ বিধায়ককে যুক্ত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টে মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগেও একই আবেদন জানিয়ে মামলা করেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর সেই আবেদনের নিষ্পত্তি করে সুপ্রিম কোর্ট। তবে নিষ্পত্তির আগে সুপ্রিম কোর্ট নিজের পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল, স্পিকারের কাছে আবেদন জমা পড়লে তা বিবেচনার জন্য তিন মাস সময় দেওয়া উচিত। গত ৮ জুলাই স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেই তারিখের নিরিখে গত ৮ অক্টোবর তিন মাসের সময়সীমা শেষ হয়েছে। কিন্তু আবেদন বিবেচনা না হওয়ায় ফের মামলা দায়ের করেছেন তিনি। যেখানে স্পষ্টভাবে রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক রীতি লঙ্ঘন করার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের পরেও নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ তুলেছেন শোভনদেব। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম ছাড়াও মামলায় যুক্ত করা হয়েছে সন্দীপন সাহা, অরূপ রায়, শিউলি সাহা, আখতারুজ্জামান, সাবিনা ইয়াসমিন, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র এবং জাভেদ আহমেদ খানকে। এ ছাড়া, বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিও মামলায় যুক্ত হয়েছেন। দলত্যাগ বিরোধী আইনে বিধায়কদের পদ খারিজ চেয়েছেন শোভনদেব। প্রসঙ্গত সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করার আগে রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে চিঠি দিয়ে দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ১০ বিধায়কের বিধায়ক পদ অবিলম্বে খারিজ করার আবেদন জানিয়ে ছিলেন মমতা তৃণমূলের বিধায়ক শোভন চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু সেই চিঠিতে টেকনিক্যাল ত্রুটি রয়েছে বলে জানিয়ে প্রাথমিকভাবে সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ। বিধানসভার অধ্যক্ষ আবেদন খারিজ করার পরেই সুপ্রিম কোর্টে যান শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টে তার দায়ের করা মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট যখন রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষের বিবেচনার উপরে বিষয়টি ছেড়ে দিয়ে তিন মাসের মধ্যেই তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা প্রকাশ করে পর্যবেক্ষণ করেছিল তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত বিধায়কদের নোটিশ পাঠান রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ। কিন্তু মমতা তৃণমূলের অভিযোগ, কোন অজ্ঞাত কারণে আজ পর্যন্ত জানা যায়নি সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের প্রেক্ষিতে রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ অভিযুক্ত বিধায়কদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিয়েছেন কিনা অথবা তাদেরকে সাংবিধানিক রীতি মেনে দলত্যাগ বিরোধী আইনের শুনানিতে ডাকা হয়েছে কিনা।

👁 এই সংবাদটি পড়েছেন ০ জন পাঠক