শেষ ওভারের নাটকীয়তায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ জিয়েছে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৯ রান, হাতে দুই উইকেট। পূর্ণ গ্যালারির সামনে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের ঝুঁকিহীন ব্যাটিংয়ে অর্জিত হলো দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় জয়। ম্যাচ শেষে মাঠে ঢুকে পড়েন দর্শকেরা, উদযাপনে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।
ব্যাট করে ৩২৮ রানের বড় টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতে দ্রুত রান আসে, কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে দ্রুত উইকেট পড়ায় চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। ম্যাচের মোড় ঘোরে সাত নম্বরে ব্যাট করতে নামা অলরাউন্ডারের দায়িত্বশীল ইনিংসে, যিনি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন।
বোলিংয়ে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ শুরুতেই সাফল্য এনে দেয়। নতুন বলে দুই উইকেট তুলে নেওয়া তরুণ পেসার ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন। তবে মিডল অর্ডারে প্রতিপক্ষের পাল্টা আক্রমণে বল যথেষ্ট দৌড়েছে—যা ম্যাচকে করে তোলে টানটান উত্তেজনার। অধিনায়ক ম্যাচ শেষে বলেন, দলের তরুণ খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসই এই জয়ের চাবিকাঠি ছিল। তিনি জানান, সিরিজ জেতার পর এখন লক্ষ্য রাখা হয়েছে আগামী বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্রস্তুতি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করা। সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, গ্যালারির সমর্থন খেলোয়াড়দের দিয়েছে অনুপ্রেরণা।
এই জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করল বাংলাদেশ। ক্রিকেট বিশ্লেষকরা বলছেন, চাপের মুহূর্তে নার্ভ ধরে রাখার সক্ষমতা দেখানোর মাধ্যমে এই দল পরিণত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিশ্বস্ত নামে। সামনে সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলা হবে একই মাঠে, যেখানে সাদা-ওয়াশের সুযোগ থাকবে টাইগারদের সামনে।