জাতীয় সংসদে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল ২০২৫-এর পাশাপাশি ভোট ও নির্বাচনী আইন সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। সংসদ অধিবেশনে কণ্ঠভোটে বিল দুটি পাস করা হয়। আইনমন্ত্রী বিলের ওপর মতামতের জন্য সময় চেয়ে সমর্থন করেন।
সংশোধনীর সবচেয়ে আলোচিত ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নির্বাচনী আসনে একজন প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণ হবে না—সেক্ষেত্রে ওই আসনে নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করা হবে। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে দল থেকে অনাপত্তি সনদ সংগ্রহে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন পাওয়ার প্রয়োজন হবে।
বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বিলটির কিছু ধারার সংশোধন প্রস্তাব দিলেও তা নাকচ হয়। তাঁরা বলেন, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নিশ্চিত না হলে এই আইনের সুফল সীমিত থাকবে। জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, দলীয় গণতন্ত্রের বিষয়টি নির্বাচন কমিশন পর্যবেক্ষণ করবে বলে বিলেই উল্লেখ রয়েছে।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন আইন বাস্তবায়নের সাফল্য নির্ভর করবে তা কতটা নিরপেক্ষভাবে প্রয়োগ হয় তার ওপর। তাঁরা বলছেন, আইন হলো এক ধাপ—বাস্তবে নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফেরাতে হলে ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ ও ফলাফল ঘোষণার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।