চলমান বাজেট অধিবেশনে ভর্তুকি ব্যবস্থার সংস্কার বিষয়ে একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী। প্রস্তাবিত রোডম্যাপে কৃষি ও বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকি ধীরে ধীরে পুনর্বিন্যাস করে আয়ভিত্তিক সুরক্ষা বলয় গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে, যাতে প্রকৃত ভোক্তা ছাড়া অন্য কেউ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ না পান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ভর্তুকির সুফল ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে না পারলে ব্যয়ের যেকোনো বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। তাই ডিজিটাল অর্থপ্রদানের মাধ্যমে সরাসরি ভোক্তার কাছে ভর্তুকি পৌঁছে দেওয়ার পাইলট কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। প্রথম ধাপে সার ও সেচের বিদ্যুৎ খাতে ডিজিটাল ভাউচার ব্যবস্থা চালু হবে।
সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরে ভর্তুকির জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে রাজস্ব বাজেটের প্রায় ১৫ শতাংশ, যা বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দামের ওপর নির্ভরশীল। তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে সামনের অর্থবছরে ভর্তুকি ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের একাংশ সংস্কার প্রক্রিয়াকে সমর্থন করলেও সতর্ক করে বলেছেন, প্রতিযোগিতাবিহীন বাজারে ভর্তুকি প্রত্যাহার করলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিম্নআয়ের মানুষ। তাঁদের পরামর্শ, সংস্কারের পাশাপাশি বাজার তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।