জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে মঞ্চে উঠেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সাধারণ অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক পর্বে দেশের পক্ষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, জলবায়ু প্রভাবের শিকার দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ঘোষিত তহবিল এখন কাগজে-কলমে না থেকে বাস্তবে রূপ নিতে হবে।
বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি উপকূলীয় দেশগুলোর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলবায়ু শরণার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো প্রয়োজন। সমুদ্রপৃষ্ঠের পানি বৃদ্ধির কারণে স্থানচ্যুত মানুষের পুনর্বাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।
অধিবেশনের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছে। অভিবাসন, বাণিজ্য সুবিধা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ—এই বিষয়গুলো বৈঠকের এজেন্ডায় প্রাধান্য পেয়েছে। শ্রম প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মীদের ন্যায্য মজুরি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রসঙ্গও উঠেছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বহুমুখী কূটনীতির যুগে জাতিসংঘ অধিবেশনের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চ ছোট ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্নে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুস্পষ্ট হওয়া দরকার, যাতে আলোচনার টেবিলে দেশের দাবির নৈতিক ভিত্তি আরও মজবুত হয়।