আসন্ন বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনকে সামনে রেখে ক্ষতিপূরণ তহবিল বিষয়ে অগ্রসর বৈঠক শেষ হয়েছে ইতিবাচক সংকেত দিয়ে। জলবায়ু পরিবর্তনের স্থায়ী ক্ষতি ও প্রতিকার তহবিলের কার্যক্রম পরিচালনার খসড়া কাঠামো নিয়ে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সমঝোতার পথে এগোচ্ছে আলোচনা।
বৈঠকের পাশাপাশি বিভিন্ন আঞ্চলিক জোট নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে। জলবায়ু সংকটে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জোট দাবি করেছে, তহবিলের অর্থায়ন অনুদানভিত্তিক হতে হবে, ঋণ নয়। পাশাপাশি তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুবিধাভোগী দেশগুলোর সরাসরি প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, অতীতের সম্মেলনগুলোতে অঙ্গীকারের চেয়ে বাস্তবায়ন কম হয়েছে। জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুত অর্থের সিংহভাগ এখনো পৌঁছায়নি প্রয়োজনের মাঠে। তাই এবারের সম্মেলনে বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের স্বচ্ছ ব্যবস্থা কতটা গড়ে ওঠে, তাতেই সাফল্য নির্ভর করবে।
বাংলাদেশের জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটি ইতোমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোজন কার্যক্রমে সাফল্যের দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। সাইক্লোন প্রস্তুতি কার্যক্রম আর উপকূলীয় বনায়ন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। এই অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরে অভিযোজন-বান্ধব অর্থায়নের জোরালো দাবি জানানো উচিত বলে মত তাঁদের।