মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর সুফল মিলতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ মাসিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতি আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিও পরপর তিন মাস ধরে কমার ধারায় রয়েছে।
প্রতিবেদন বলছে, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল ও মসুরের দাম গত কয়েক সপ্তাহে স্থিতিশীল রয়েছে। শাকসবজির দাম মৌসুমি প্রাচুর্যের কারণে কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। তবে মাছ ও মাংসের দাম এখনো গত বছরের তুলনায় বেশি, যা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ভোক্তাদের প্রোটিন গ্রহণের ওপর চাপ ফেলছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, ওপেন মার্কেট সেল ও ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য বিক্রির কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হচ্ছে। অতিমূল্য নির্ধারণ রোধে বাজার তদারকি অভিযান জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত মজুদের অভিযোগ পাওয়া গেলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
অর্থনীতিবিদদের একাংশ বলছেন, মূল্যস্ফীতি কমার প্রবণতা আশাব্যঞ্জক হলেও ক্রয়ক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে পেতে আরও কয়েক মাস সময় লাগবে। আমদানি ব্যয়, জ্বালানির আন্তর্জাতিক দাম ও ঘরোয়া সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে সামনের মাসগুলোতে সূচকের গতিপথ নির্ধারিত হবে।