দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণের দিকে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নতুন রোগী শনাক্তের হার দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যাও কমছে প্রতি সপ্তাহে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, এ মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে ডেঙ্গুতে ভর্তি হয়েছিলেন দুই হাজারের বেশি রোগী। গত সপ্তাহে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে দেড় হাজারের নিচে। রাজধানীর পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে আগের তুলনায় রোগী কম ধরা পড়ছে।
এন্টোমোলজিস্টরা বলছেন, ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এডিস মশার প্রজনন কমে আসছে, তবে তাপমাত্রা এখনো মশার বংশবৃদ্ধির উপযোগী। তাই ডেঙ্গু পরিস্থিতির উন্নতি মানেই সতর্কতা শিথিল করা নয়। এ সময়েও ঘরের ভেতরে জমে থাকা পানি প্রতি তিন দিন পর পর ফেলে দেওয়া জরুরি।
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গুর চিকিৎসায় সময়মতো হাসপাতালে যাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জ্বরের সঙ্গে দেহে দাগ, বমি বা পেটে ব্যথা দেখা দিলে দ্রুত পরামর্শ নিতে হবে। রোগীর শরীরে পানিশূন্যতা ঠেকাতে ঘন ঘন তরল খাবার দেওয়া জরুরি।