গবেষণা-প্রকাশনায় বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের অগ্রযাত্রা চোখে পড়ার মতো। স্কোপাস ও ওয়েব অব সায়েন্সের সূচকে থাকা আন্তর্জাতিক জার্নালগুলোতে গত এক বছরে দেশীয় গবেষকদের প্রবন্ধ প্রকাশের সংখ্যা প্রায় ২৮ শতাংশ বেড়েছে, যা নিজেই একটি রেকর্ড।
গবেষণার প্রধান ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃষি জৈবপ্রযুক্তি, জনস্বাস্থ্য, পদার্থবিজ্ঞান ও পরিবেশ বিজ্ঞান। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ গবেষকদের সঙ্গে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের যৌথ গবেষণার সংখ্যাও বাড়ছে। সমালোচকরা বলছেন, এই প্রবণতি দেশের উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বৈশ্বিক স্বীকৃতিও এনে দিচ্ছে।
তবে চ্যালেঞ্জ রয়েছে পর্যাপ্ত তহবিলের অভাব। দেশের জিডিপির মাত্র এক শতাংশের কাছাকাছি খরচ হয় গবেষণায়, যা উন্নত দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। গবেষকরা বলছেন, গবেষণা অনুদানের সহজ প্রবাহ নিশ্চিত হলে এবং গবেষণাগারের সরঞ্জাম আধুনিকায়ন হলে প্রকাশনার এই ধারা আরও গতি পাবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা সংস্কৃতি প্রসারে বিশেষ অনুদানের পাশাপাশি জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমিশনের অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। মেধাবী তরুণদের গবেষণায় ধরে রাখতে ফেলোশিপ ও আবাসন সুবিধা বৃদ্ধির পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।